- /
- আন্তঃনগর ট্রেন
- /
- জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী এবং ভাড়া ২০২৬
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী এবং ভাড়া ২০২৬
Pintu
জয়পুরহাট টু ঢাকার ট্রেনের সময়সূচী অনুসারে ট্রেন ভ্রমন মানুষের প্রথম পছন্দ। বাসের তুলায় ট্রেন ভ্রমন খুব আরাম দায়ক এবং নিরাপদ। বিশেষ করে যারা নিয়মিত ঢাকা যাতায়াত করেন, তাদের কাছে জয়পুরহাট থেকে ঢাকার ট্রেনের সময়সূচী ও টিকিটের ভাড়া জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই ২০২৬ সালে জয়পুরহাট থেকে কোন ট্রেন কখন ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়, কখন পৌঁছায় এবং টিকিটের মূল্য কত—এসব তথ্য একসঙ্গে সহজভাবে এখানে সাজানো হয়েছে। ঢাকা টু জয়পুরহাট ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া দেখুন।
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী মেনে যাতায়াত করা অনেকের কাছেই বেশ স্বস্তির একটি মাধ্যম। বিশেষ করে দীর্ঘ পথ হওয়ায় বাসের চেয়ে ট্রেনে বসে আরাম করে যাতায়াত করতে পছন্দ করেন অনেক যাত্রী। জয়পুরহাট রেলস্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে, তাই দিনের সময় অনুযায়ী যাত্রীরা নিজেদের সুবিধামতো ট্রেন বেছে নিতে পারেন। জয়পুরহাট টু ঢাকা রুটে মাত্র ছয়টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে যেমন একতা এক্সপ্রেস (৭০৬), চিলাহাটি এক্সপ্রেস (৮০৬), কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস (৭৯৮), দ্রুতযান এক্সপ্রেস (৭৫৮), পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (৭৯৪) এবং নীলসাগর এক্সপ্রেস (৭৬৬) ট্রেন। নাটোর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া দেখুন।
বড়াল ব্রিজ টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬
| ট্রেনের নাম ও কোড | জয়পুরহাট ছাড়ে | ঢাকা পৌছে | বন্ধের দিন | যাত্রার সময় কাল |
|---|---|---|---|---|
| একতা এক্সপ্রেস (৭০৬) | 01:21 am | 07:20 am | নাই | ৫ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট |
| চিলাহাটি এক্সপ্রেস (৮০৬) | 08:35 am | 02:55 pm | শনিবার | ৬ ঘণ্টা ২০ মিনিট |
| কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস (৭৯৮) | 10:45 am | 05:05 pm | মঙ্গলবার | ৬ ঘণ্টা ২০ মিনিট |
| দ্রুতযান এক্সপ্রেস (৭৫৮) | 11:56 am | 06:55 pm | নাই | ৬ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট |
| পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (৭৯৪) | 04:16 pm | 10:10 pm | নাই | ৫ ঘণ্টা ৫৪ মিনিট |
| নীলসাগর এক্সপ্রেস (৭৬৬) | 10:46 pm | 05:25 am | মঙ্গলবার | ৬ ঘণ্টা ৩৯ মিনিট |
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়ার তালিকা
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনে যেতে চাইলে ভাড়ার বিষয়টিও আগে থেকে জেনে রাখা ভালো। ট্রেনে আসনের ধরন অনুযায়ী ভাড়া কম বা বেশি হয়, তাই নিজের বাজেট ও আরামের কথা চিন্তা করে আসন বেছে নিতে পারেন। সাধারণত শোভন চেয়ারের ভাড়া তুলনামূলক কম, আর স্নিগ্ধা, এসি বা বার্থের মতো আসনের ভাড়া একটু বেশি। তাই যাত্রার আগে সর্বশেষ ভাড়ার তালিকা দেখে টিকিট কাটলে ভালো হয়। নিচে একটি টেবিলে ভাড়ার তালিকা দেওয়া হলো। ঢাকা টু নাটোর ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া দেখুন।
| ট্রেনের নাম ও কোড | শোভন চেয়ার | স্নিগ্ধা | এসি সিট | এসি বার্থ |
|---|---|---|---|---|
| একতা এক্সপ্রেস (৭০৬) | 510 টাকা | 978 টাকা | নাই | 1810 টাকা |
| চিলাহাটি এক্সপ্রেস (৮০৬) | 510 টাকা | 978 টাকা | 1173 টাকা | নাই |
| কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস (৭৯৮) | 510 টাকা | 978 টাকা | 1173 টাকা | নাই |
| দ্রুতযান এক্সপ্রেস (৭৫৮) | 510 টাকা | 978 টাকা | 1173 টাকা | নাই |
| পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (৭৯৪) | 510 টাকা | 978 টাকা | 1173 টাকা | নাই |
| নীলসাগর এক্সপ্রেস (৭৬৬) | 510 টাকা | 978 টাকা | নাই | 1810 টাকা |
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সুবিধা
জয়পুরহাট থেকে ঢাকা ট্রেনে যাতায়াতের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আরাম করে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া যায়। বাসের মতো যানজটে আটকে থাকার চিন্তা কম থাকে এবং ট্রেনে বসে বা শুয়ে স্বস্তিতে ভ্রমণ করা যায়। আপনি বিভিন্ন ধরনের আসন বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন, নিজের বাজেট ও প্রয়োজন অনুযায়ী টিকিট নেওয়া সম্ভব। ট্রেনে যাতায়াতের সময় জানালার পাশে বসে গ্রামের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করাও অনেকের কাছে ভ্রমণের বাড়তি আনন্দ। সব মিলিয়ে জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য ট্রেন তুলনামূলক আরামদায়ক ও সুবিধাজনক একটি যাতায়াত ব্যবস্থা। ঢাকা টু আক্কেলপুর ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া দেখুন।
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের স্টপিজ স্টেশান গুলোর নাম
জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে ট্রেনভেদে স্টপেজ স্টেশন কিছুটা আলাদা হতে পারে। আপনি নিচের টেবিলটি দেখলেই সহজেই বুঝতে পারবেন। কোন ট্রেন কোন কোন স্টেশানে থামে তা আগে থেকে জানা ভালো। জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের বিরতী স্টেশানের ট্রেনের নমা সহ স্টেশানের নাম গুলো নিচে দেওয়া হলো। ঢাকা টু চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া দেখুন।
| ট্রেনের নাম ও কোড | যাত্রা বিরতী স্টেশনের নাম |
|---|---|
| একতা এক্সপ্রেস (৭০৬) | জয়পুরহাট, আক্কেলপুর, সান্তাহার, নাটোর, উল্লাপাড়া, ইব্রাহিমাবাদ, টাঙ্গাইল, জয়দেবপুর, ঢাকা। |
| চিলাহাটি এক্সপ্রেস (৮০৬) | জয়পুরহাট, আক্কেলপুর, সান্তাহার, নাটোর, আজিমনগর, ঈশ্বরদী বাইপাস, জয়দেবপুর এবং ঢাকা। |
| কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস (৭৯৮) | জয়পুরহাট, সান্তাহার, মাধনগর, নাটোর এবং ঢাকা। |
| দ্রুতযান এক্সপ্রেস (৭৫৮) | জয়পুরহাট, আক্কেলপুর, সান্তাহার, আহসানগঞ্জ, নাটোর, ঈশ্বরদী বাইপাস, চাটমোহর, জামতৈল, ইব্রাহিমাবাদ, টাঙ্গাইল, জয়দেবপুর এবং ঢাকা। |
| পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (৭৯৪) | জয়পুরহাট, সান্তাহার, নাটোর এবং ঢাকা। |
| নীলসাগর এক্সপ্রেস (৭৬৬) | জয়পুরহাট, আক্কেলপুর, সান্তাহার, আহসানগঞ্জ, নাটোর, মুলাডুলি, ইব্রাহিমাবাদ, জয়দেবপুর এবং ঢাকা। |
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের শেষ কথা
সবশেষে বলা যায়, জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার জন্য ট্রেন একটি আরামদায়ক ও সুবিধাজনক যাতায়াত ব্যবস্থা। ভাড়া তুলনামূলকভাবে সাধ্যের মধ্যে থাকায় এবং বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনের সুবিধা থাকায় অনেক যাত্রীই ট্রেনকে পছন্দ করেন। তবে যাত্রার আগে ট্রেনের সময়সূচী, সাপ্তাহিক বন্ধের দিন, স্টপেজ ও টিকিটের বর্তমান ভাড়া একবার দেখে নেওয়া ভালো। এতে সময় ও টাকা দুটোই বাঁচবে এবং যাত্রাটাও হবে অনেক বেশি স্বস্তির। এছাড়া আপনাদের যে কোন প্রশ্ন এখানে করতে পারেন। নীলফামারী টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া দেখুন।
সাধারন প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: জয়পুরহাট টু ঢাকায় কোন কোন ট্রেন যায়?
উত্তর: জয়পুরহাট থেকে ঢাকার পথে কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে। যাত্রার আগে পছন্দের ট্রেনের সময়সূচী দেখে টিকিট কাটা ভালো। ট্রেন গুলো হলো কতা এক্সপ্রেস (৭০৬), চিলাহাটি এক্সপ্রেস (৮০৬), কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস (৭৯৮), দ্রুতযান এক্সপ্রেস (৭৫৮), পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (৭৯৪) এবং নীলসাগর এক্সপ্রেস (৭৬৬) ট্রেন।
প্রশ্ন: জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যেতে কত সময় লাগে?
উত্তর: ট্রেনের ধরন ও স্টপেজের ওপর সময় কিছুটা কমবেশি হয়। সাধারণত কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে। ৫ ঘণ্টা ৫৪ মিনিট থেকে ৬ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত লাগতে পারে।
প্রশ্ন: জয়পুরহাট থেকে ঢাকার ট্রেনের ভাড়া কত?
উত্তর: আসনের ধরন অনুযায়ী ভাড়া আলাদা। শোভন চেয়ারের ভাড়া তুলনামূলক কম, আর স্নিগ্ধা, এসি বা বার্থের ভাড়া বেশি। ভাড়া গুলো যথাক্রমে শোভন চেয়ার 510 টাকা, স্নিগ্ধা 978 টাকা, এসিসিট 1173 টাকা এবং এসিবার্থ 1810 টাকা মাত্র।
প্রশ্ন: ট্রেনের টিকিট কোথা থেকে কেনা যায়?
উত্তর: রেলস্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকিট নেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনেও টিকিট কেনার সুযোগ রয়েছে।
প্রশ্ন: সব ট্রেন কি জয়পুরহাট থেকে প্রতিদিন ঢাকার উদ্দেশ্যে যায়?
উত্তর: না, ট্রেনভেদে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন আলাদা থাকতে পারে। তাই যাত্রার তারিখ অনুযায়ী সময়সূচী দেখে নেওয়াই ভালো।
প্রশ্ন: ট্রেনে যাওয়ার আগে কী কী দেখে নেওয়া উচিত?
উত্তর: ট্রেনের নাম, ছাড়ার সময়, সাপ্তাহিক বন্ধের দিন, আসনের ধরন এবং বর্তমান ভাড়া দেখে টিকিট কাটলে যাত্রায় অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা হয় না।
আজকের রাশিফল
মেষ রাশির পূর্বাভাস
২১ মার্চ - ১৯ এপ্রিল (অগ্নি রাশি)আজ নতুন কোনো পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে নিজের মতামত প্রকাশ করার সময় অন্যের কথাও গুরুত্ব দিন। আর্থিক বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়িয়ে চললে ভালো ফল পাবেন। প্রিয়জনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি থাকলে খোলামেলা আলোচনায় তা কমে আসতে পারে। আজকের পরামর্শ: তাড়াহুড়ো না করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিন। শুভ রং: লাল শুভ সংখ্যা: ৯